একটি ছোট স্বপ্ন থেকে শুরু হয়ে আজ Six6s লক্ষাধিক বাংলাদেশি বেটারের বিশ্বাসের জায়গা হয়ে উঠেছে। এই পেজে জানুন সেই পুরো যাত্রার গল্প।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং-এর জগৎ তখনো নতুন। বেশিরভাগ মানুষ বিদেশি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতেন যেগুলোতে বাংলা ভাষার কোনো সুবিধা ছিল না, লেনদেন ছিল জটিল এবং স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতির কোনো সুযোগ ছিল না। ঠিক সেই সময় একদল তরুণ উদ্যোক্তা ভাবলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য কেন একটি সত্যিকারের নিজেদের প্ল্যাটফর্ম থাকবে না?
সেই ভাবনা থেকেই Six6s-এর যাত্রা শুরু। নামটার মধ্যে ক্রিকেটের ছোঁয়া আছে — ছক্কা মানেই সর্বোচ্চ, সবচেয়ে উত্তেজনাময় মুহূর্ত। Six6s মানে শুধু একটি ছক্কা নয়, একের পর এক ছক্কা — অর্থাৎ প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি।
প্রথম দিন থেকেই Six6s-এর লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট — একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ বাংলাদেশ-বান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে একজন সাধারণ বাংলাদেশি মানুষও স্বাচ্ছন্দ্যে তার পছন্দের খেলায় বাজি ধরতে পারবেন।
"আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষ যেন নিজের ভাষায়, নিজের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে, সম্পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে বেটিং উপভোগ করতে পারেন।"
— Six6s প্রতিষ্ঠাতা দল
প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত Six6s যেভাবে একটু একটু করে বড় হয়েছে — সেই পথচলার গল্প।
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে Six6s আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালু করে। শুরুতে মাত্র ক্রিকেট ও ফুটবলে বেটিং সুবিধা ছিল, কিন্তু তবুও প্রথম মাসেই কয়েক হাজার নিবন্ধন হয়। বাংলায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস দেখে মানুষ সত্যিই অবাক হয়ে যান।
২০২০ সালে Six6s বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও নগদের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন চালু করে। এই একটি পদক্ষেপ Six6s-কে বাংলাদেশের বেটিং মার্কেটে সম্পূর্ণ আলাদা করে দেয়। ব্যবহারকারীরা এখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট করতে পারেন এবং জয়ের পরে দ্রুত উইথড্রয়াল করতে পারেন।
২০২১ সালে Six6s লাইভ বেটিং ফিচার চালু করে যা প্ল্যাটফর্মের ইতিহাসে একটি বিশাল মাইলফলক। এখন ম্যাচ চলাকালীন সময়ে রিয়েল-টাইম অডস দেখে বাজি ধরা সম্ভব হয়। IPL মৌসুমে প্রথমবারের মতো লাইভ ক্রিকেট বেটিং চালু হলে একদিনেই রেকর্ড সংখ্যক বেট পড়ে।
স্পোর্টস বেটিং-এর বাইরে ব্যবহারকারীদের আরও বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা দিতে Six6s ২০২২ সালে অনলাইন ক্যাসিনো গেম এবং বিশেষত বোম্বিং ফিশিং ও প্রসপারিটি ফরচুন ট্রি-র মতো জনপ্রিয় গেম যুক্ত করে। এই পদক্ষেপে Six6s একটি পরিপূর্ণ গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
২০২৩ সালে Six6s তাদের পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনে পুনর্নির্মাণ করে। স্মার্টফোনে ব্রাউজারের মাধ্যমে অ্যাপের মতো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ব্যবহারকারীরা এখন যেকোনো স্মার্টফোন থেকে সম্পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্যে বেট করতে পারেন। এই বছরেই নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
২০২৪ সালে Six6s আরও পরিপক্ব হয়ে ওঠে। ক্র্যাশ বোনাস, ব্যাডমিন্টন বেটিং-সহ ৩০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি যুক্ত হয়। পাশাপাশি কাস্টমার সাপোর্ট ২৪/৭ বাংলায় পাওয়ার সুবিধা চালু হয়। Six6s এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃত।
Six6s-এর শুরুটা ছিল একটি ছোট অফিসে মাত্র কয়েকজন মানুষ নিয়ে। তাদের কাছে বড় মূলধন ছিল না, ছিল শুধু একটা বিশ্বাস — বাংলাদেশের মানুষ একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম পেলে সেটাকে আপন করে নেবে। সেই বিশ্বাস মিথ্যা হয়নি।
প্রথম বছরে Six6s-এর ডেভেলপমেন্ট টিম প্রতিদিন ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক পড়তেন এবং সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম আপডেট করতেন। কোনো একজন ব্যবহারকারী যদি বলতেন বিকাশে ডিপোজিটে সমস্যা হচ্ছে, টিম সাথে সাথে সেটা ঠিক করার চেষ্টা করত। এই সংস্কৃতিটাই Six6s-কে আলাদা করে রেখেছে।
২০২১ সালে যখন লাইভ বেটিং চালু হয়, তখন সার্ভারে এত বেশি চাপ পড়ে যে কিছুক্ষণের জন্য সাইট ধীর হয়ে যায়। টিম রাত জেগে সেই সমস্যা ঠিক করেন এবং পরের দিন ব্যবহারকারীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিশেষ বোনাস অফার করেন। এই স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ Six6s-এর ব্র্যান্ড ভ্যালুর মূল ভিত্তি।
প্রতিটি পেআউট সময়মতো, প্রতিটি সমস্যার সমাধান দ্রুত — এই দুটি নীতিতে Six6s আজও অটল আছে, যেদিন থেকে শুরু হয়েছে সেদিন থেকে।
বছরের পর বছর ধরে Six6s এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা তাকে প্রতিযোগীদের থেকে সত্যিকার অর্থে আলাদা করে দিয়েছে।
বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটা আবেগ। Six6s শুরু থেকেই এই সত্যটা বুঝেছিল এবং ক্রিকেট বেটিং-এ সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে — সেরা অডস, সর্বোচ্চ মার্কেট বৈচিত্র্য এবং বিশেষ ক্রিকেট বোনাস অফার।
বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট মানেই বিকাশ, নগদ আর রকেট। Six6s প্রথম প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি যারা এই তিনটি পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে ইন্টিগ্রেট করে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট ও উইথড্রয়ালের সুবিধা দিয়েছে।
শুধু ইন্টারফেস নয় — Six6s-এর কাস্টমার সাপোর্ট, বোনাস অফার, নিয়মাবলী সবকিছু বাংলায়। ২৪/৭ বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট Six6s-কে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত মনে করিয়েছে।
Six6s শুরু থেকেই SSL এনক্রিপশন, দুই-স্তরের যাচাইকরণ এবং স্বচ্ছ বোনাস শর্ত মেনে চলেছে। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো লুকানো শর্ত নেই — এটাই Six6s-এর ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি।
বাংলাদেশের ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে ব্রাউজ করেন। Six6s এই বাস্তবতা বুঝে তাদের পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলে সর্বোত্তম অভিজ্ঞতার জন্য তৈরি করেছে।
শুধু নতুন সদস্যদের জন্য নয়, Six6s পুরনো সদস্যদের জন্যও সারা বছর আকর্ষণীয় বোনাস, রিলোড অফার এবং বিশেষ টুর্নামেন্ট অফার চালু রাখে যা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ।
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের পেছনে থাকে কিছু অটল নীতি। Six6s-এর ক্ষেত্রেও তাই। বছরের পর বছর পরিবর্তনের মধ্যেও কিছু বিষয় Six6s কখনো আপোস করেনি।
সততা সবার আগে। Six6s কখনো মিথ্যা প্রলোভন দেয়নি। যে বোনাস দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেটা দেওয়া হয়েছে। যে পেআউট নিশ্চিত করা হয়েছে, সেটা সময়মতো দেওয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতাই Six6s-এর সবচেয়ে বড় সম্পদ।
দায়িত্বশীল গেমিং-এর প্রতি Six6s সর্বদা সচেতন। প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা রয়েছে। Six6s বিশ্বাস করে বেটিং একটি আনন্দের অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত, কোনো আসক্তি নয়।
খেলার আনন্দকে সম্মান করো, ব্যবহারকারীর বিশ্বাসকে সম্মান করো — এই দুটো নীতিই Six6s-এর প্রতিদিনের কাজের ভিত্তি।
প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত, প্রতিটি পেআউট নিশ্চিত। Six6s কখনো ব্যবহারকারীর অর্থ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেনি।
বাংলা ভাষা, বাংলাদেশি পেমেন্ট, বাংলাদেশি সংস্কৃতি — Six6s সবকিছু স্থানীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে তৈরি করেছে।
ডিপোজিট থেকে উইথড্রয়াল — সবকিছু দ্রুত। Six6s জানে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর সময় মূল্যবান।
বেটিং যেন আনন্দের সীমা না ছাড়ায় — এই বিষয়ে Six6s সবসময় সচেতন এবং ব্যবহারকারীদের পাশে থাকে।
ইতিহাস মানে শুধু পেছনে তাকানো নয়, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই আসল লক্ষ্য। Six6s-এর দল প্রতিনিয়ত ভাবছে — পরের ধাপ কী হবে, কীভাবে আরও ভালো অভিজ্ঞতা দেওয়া যাবে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ বেটিং উৎসাহীদের।
আসন্ন দিনগুলোতে Six6s আরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ই-স্পোর্টস — এগুলোতে বাংলাদেশি তরুণদের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে এবং Six6s সেই চাহিদা পূরণ করতে প্রস্তুত।
প্রযুক্তির দিক থেকে Six6s একটি নেটিভ মোবাইল অ্যাপ তৈরির কাজ করছে যা ব্যবহারকারীদের আরও দ্রুত ও সুবিধাজনক অভিজ্ঞতা দেবে। পাশাপাশি আরও বেশি স্থানীয় পেমেন্ট পার্টনার যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে যাতে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সহজে অংশ নিতে পারেন।
সবচেয়ে বড় কথা — Six6s তার সদস্যদের সাথে মিলে বড় হতে চায়। যে সদস্য আজ প্রথমবার নিবন্ধন করছেন, তিনি যেন পাঁচ বছর পরেও গর্বের সাথে বলতে পারেন — "হ্যাঁ, আমি Six6s-এর সাথে আছি।" এটাই Six6s-এর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।
হাজারো বেটিং সাইটের মধ্যে Six6s বেছে নেওয়ার কারণ একটাই — এটা বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি, বাংলাদেশের মানুষের জন্যই চলে।
জয়ের পরে দীর্ঘ অপেক্ষা নয়। Six6s গড়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরের যাচাইকরণ দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
বাজারের সেরা অডস অফার করে Six6s। বিশেষত ক্রিকেট ও ফুটবলে Six6s-এর অডস অতুলনীয়।
রাত তিনটেতেও সমস্যা হলে Six6s-এর বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম আপনার পাশে আছে।
স্পোর্টস বেটিং থেকে ফিশিং গেম, ক্র্যাশ বোনাস থেকে ফরচুন ট্রি — Six6s-এ বিনোদনের কোনো শেষ নেই।
নতুন সদস্যরা ১০০% ওয়েলকাম বোনাস পান। এছাড়া সারা বছর নানা অফার তো আছেই।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন এবং ১০০% ওয়েলকাম বোনাস উপভোগ করুন। মাত্র ২ মিনিটে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
নিরাপদ ও এনক্রিপ্টেড। শুধুমাত্র ১৮+ বছর বয়সীদের জন্য।